1. admin@apontelevision.com : admin :
বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ০৮:০৬ অপরাহ্ন

ডেমরায় বিয়ে বাড়ী থেকে কনের পিতাকে সন্ত্রাসীরা উঠিয়ে নিয়ে ২লাখ টাকা চাঁদা দাবি

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১৯ মে, ২০২৪
  • ৪৯ বার পঠিত

নিজস্ব সংবাদদাতা:

ডেমরার ডগাইর পূর্বপাড়া মদিনাবাগ এলাকায় শুক্রবার দুপুর ১২.৩০ মিনিটে বিয়ে বাড়ী থেকে সন্ত্রাসীরা কনের পিতাকে উঠিয়ে নিয়ে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬ টার দিকে কনের গাঁয়ে হলুদের দিনে মেহেদী তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে কনের পিতা মো. খোকন মুন্সির বাড়িতে এসে চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অস্বীকার করিলে মারধর করিয়া নগদ ৩০ হাজার টাকা, সোনার ১২ আনা ওজনের ২ টি আংটি, ১টি চেইন ও ১টি মোবাইল সেট সন্ত্রাসীরা নিয়ে চলে যায়। যাওয়ার সময় সন্ত্রাসীরা আবার আসবে বলে বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতিসহ পরিবারের লোকজনদের প্রানে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। বিয়ের দিন শুক্রবার আবারও মেহেদী তার সঙ্গীয় ফয়সাল, সাইফুল ইসলাম, রিয়াদ ও জুম্মুনসহ অজ্ঞাতনামা আরো ৬/৭জন নিয়ে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় বিয়ের অনুষ্ঠানে ভাংচুর করে ৪ লাখ টাকার ক্ষতি সাধন করে। এ সময় তাদের বাঁধা দিতে গেলে মেহেদী খোকনকে ছুরির হাতল দিয়ে আঘাত করে ও তার সঙ্গীয় সন্ত্রাসীরা এলোপাতাড়ি কিল—ঘুশি মারতে থাকে। খোকনকে বাঁচাতে খোকানের ২ বোন ও শ্যালক এগিয়ে আসলে তাদেরকেও মারধর করে। সন্ত্রাসীরা এক পর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে তাদের ঘরে ডুকে ভাংচুর করে এবং দাবিকৃত চাঁদার টাকা না পেয়ে খোকনকে উঠিয়ে নিয়ে বাকি বিল্লাহ’র অফিসে আটকিয়ে রাখে। খোকনের মা বরকতুন্নেছা (৬৫) কোন উপায় না পেয়ে খোকনের শ্যালক সোহেলকে ৯৯৯ কল দিতে বলে। সোহেল ৯৯৯ কল দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে খোকনকে উদ্ধার করে। ৯৯৯ কল দেয়ার কারনে ঐ দিন রাতে মেহেদীর লোকজন এসে খোকন ও তার পরিবারকে শাসিয়ে যায়। মো. মেহেদী হাসান(৩০) পিতা—আব্দুল খালেক, মো. ফয়সাল(৩০), পিতা—আব্দুল জলিল, মো. সাইফুল ইসলাম(৩২), পিতা—আব্দুল খালেক, মো. রিয়াদ (৩২), পিতা—কাইয়ুম ও মো. জুম্মুন(৩২), পিতা অজ্ঞাত সকলেই রাজধানী ঢাকার ডেমরা থানার ডগাইর পূর্বপাড়া কোদালদোয়া এলাকার বাসিন্দা।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীদের সাথে আলাপকালে জানা যায়, ডগাইর বোর্ডমিল এলাকায় আড়াই কাঠার একটি পুরাতন বাড়ীর মালিক ফেরদৌস। ৩ মাস আগে বাড়িটি বিক্রি করার দায়িত্ব খোকনকে দিলে খোকন একজন ক্রেতাকে বাড়ির মালিক ফেরদৌসের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়। ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে বায়নানামা চুক্তি হয়। এতে সন্ত্রাসী মেহেদী ও সাইফুল ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে এবং ক্রেতা এনে দেওয়ার কারনে খোকনের কাছে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। খোকন তাদের বলে আপনাদের কোন দাবি থাকলে বাড়ির মালিককে বলেন। তারপর থেকে সন্ত্রাসীরা খোকনকে চাঁদার টাকা দেওয়ার জন্য বিভিন্ন সময়ে বিভিন্নভাবে হুমিক দমকি দিয়ে আসছে।
ঘটনার আরেক প্রত্যক্ষদর্শীদের মো. আব্দুর রব এর সাথে আলাপকালে জানা যায়, খোকন আমার বাড়ীর ভাড়াটিয়া, তাদের পরিবার অত্যন্ত শান্ত এবং ভদ্র। শুক্রবার ১২ টার দিকে আমার বাড়ির সামনে অনেক লোকের আনাগোনা দেখি কিন্তু বিয়ে বাড়ি হওয়ায় স্বাভাবিক মনে করি। আমি আমার রুমে চলে যাই। বেশ কিছুক্ষন পরে চিৎকার চেচামেচির শব্দে আমি নিচে নেমে দেখি খোকনকে কারা যেন ধরে নিয়ে যাচ্ছে।
খোকনের শ্যালক মো. সোহেল জানান, আমার ভগ্নিপতিকে মারধর করার সময় আমি তাকে বাচাঁতে এগিয়ে গেলে তারা আমার উপর চরাও হয়ে আমাকে মারধর করে এবং আমাকে গুলি করার হুমকি দেয়। এসময় বিয়ে উপলক্ষে বেড়াতে আসা খোকানের দুই বোনকেও মারধর করে জখম করে

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
All rights reserved © 2024
Design By Raytahost