1. admin@apontelevision.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৫ মার্চ ২০২৪, ০৯:২৬ অপরাহ্ন

পাইকগাছায় মেডিকেল টেকনোলজি (ল্যাব) ইনচার্জের ভুল রিপোর্ট ধরা পড়ার কারণে মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা পেল শিশু পুত্র বিপ্র মন্ডল

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৩
  • ৮৫ বার পঠিত

মোঃ মানছুর রহমান (জাহিদ) ।।

খুলনার পাইকগাছা হাসপাতালের মেডিকেল টেকনোলজি (ল্যাব) ইনচার্জ মল্লিক চন্দ্র পালের রক্ত পরীক্ষার ভুল রিপোর্ট ধরা পড়ার কারনে অনিবার্য মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা পেলো শিশু পুত্র বিপ্র মন্ডল।

জানা যায়, উপজেলার খালিয়ার চক গ্রামের পলাশ মন্ডলের পুত্র বিপ্র মন্ডল (১৫ ) কয়েকদিন ধরে জ্বরে অসুস্থ হয়ে পড়লে গত ৩রা সেপ্টেম্বর ২০২৩ পাইকগাছা হাসপাতালে ভর্তি করে তার পিতা- মাতা। ঐদিন হাসপাতালের কর্তব্যরত ডাক্তারের নির্দেশে হাসপাতালে ল্যাব ইনচার্জ মল্লিক চন্দ্র পাল শিশু পুত্র বিপ্র মন্ডলের রক্ত পরীক্ষা করে ডেঙ্গু পজেটিভ মর্মে রিপোর্ট দেন। ফলে শিশু পুত্রের পিতা-মাতা ও আত্মীয়-স্বজন পাগল প্রায় হয়ে ডাক্তারদের কাছে কান্নাকাটি করতে থাকলে বিপ্রকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করে। এরপর শিশু বিপ্র মন্ডলের পিতা-মাতা খুলনাস্থ আনোয়ারা মেমোরিয়াল হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পুনরায় তার রক্ত পরীক্ষা করায়। সেখানে ডেঙ্গু নেগেটিভ মর্মে রিপোর্ট দেন। পরবর্তীতে খুলনা মেডিকেলের শিশু ওয়ার্ডে বিপ্রকে ভর্তি করলে সেখানে পুনরায় রক্ত পরীক্ষা করালে সেখানেও ডেঙ্গু নেগেটিভ রিপোর্ট দেন। ঐ অবস্থায় ডেঙ্গু চিকিৎসা না দিয়ে সাধারণ জ্বরের চিকিৎসায় শিশু বিপ্র ভুল চিকিৎসায় অনিবার্য মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ৬ অক্টোবর শিশু পুত্র বিপ্র সুস্থ হলে তার পিতা-মাতা তাকে বাড়িতে নিয়ে আসে।

এ ব্যাপারে ল্যাব ইনচার্জ মল্লিক চন্দ্র পালের সাথে আলাপ করলে তিনি কোন কথা বলতে রাজি হননি।

এদিকে বিপ্র মন্ডলের পিতামাতা পাইকগাছা হাসপাতালের কর্তব্যরত ডাক্তার ও ল্যাব ইনচার্জের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

পাইকগাছা উপজেলা শিশু অধিকার সংরক্ষন ফোরামের সম্পাদক এ্যাড.এফএমএ রাজ্জাক বলেন, পাইকগাছা হাসপাতালের ল্যাব ইনচার্জ মল্লিক চন্দ্র পাল শিশু পুত্র বিপ্র মন্ডলের রক্ত পরীক্ষার রিপোর্ট ভূল দিয়ে তাকে মৃত্যু মুখে ফেলেছিল যা প্রমানিত হয়েছে। এ বিষয়ে শিশু পুত্র পরিবারের পক্ষ থেকে আমাদের সাথে কথা হয়েছে। প্রমান পত্র পেয়েছি। আমরা ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং দোষী ল্যাব ইনচার্জের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছি।

এ ব্যাপারে জানতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প. প কর্মকর্তা ডাঃ নীতিশ চন্দ্র গোলদারের মুঠো ফোনে একাধিকবার ফোন দিলেও রিসিভ না করায় তার মন্তব্য দেয়া সম্ভব হয়নি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
All rights reserved © 2020
Design By Raytahost