1. admin@apontelevision.com : admin :
বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ০৭:১৫ অপরাহ্ন

কাস্টমস গুদামের আরও ৪১ কেজি সোনার হিসাব মিলছে না ।

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ১১৯ বার পঠিত

ডেক্স রিপোর্ট

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কাস্টমসের গুদাম থেকে আরও ৪১ কেজি সোনা লোপাটের তথ্য জানিয়েছে কাস্টমস হাউজের কর্মকর্তারা। এ ঘটনায় গুদামের দায়িত্বে থাকা ৪ সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলার প্রক্রিয়া চলছে।

এরআগে, রোববার দুপুরে শুল্ক কর্মকর্তারা গুদাম থেকে ১৫ কেজি সোনা খোয়া যাওয়ার তথ্য জানিয়েছিলেন। পরে গুদামে থাকা মালামাল পরীক্ষা করে প্রায় ৫৬ কেজি সোনার হিসেব মেলাতে পারেন নি তারা।

কাস্টমসের গুদাম থেকে ১৫ কেজি সোনা হাওয়াকাস্টমসের গুদাম থেকে ১৫ কেজি সোনা হাওয়া এয়ারপোর্টের ভিতরে অত্যন্ত সুরক্ষিত স্থাপনা কাস্টমস হাউসের অস্থায়ী গুদাম। সাধারণত অল্প সময়ের জন্য আটক সোনাসহ নানা ধরনের পণ্য এখানে রাখা হয়। ডিজিটাল লকারের পাশাপাশি কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক পাহারা দেন এই গুদাম। পর্যায়ক্রমে চার জন সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা থাকেন দায়িত্বে। আছে সিসি ক্যামেরাও। এমন সুরক্ষিত স্থাপনা থেকে উধাও হয়েছে বারসহ সোনার অলঙ্কার।

কর্মকর্তারা জানান, অস্থায়ী গুদাম পূর্ণ হওয়ায় গত শুক্রবার সকাল থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত মালামাল সরিয়ে নেয়া হয়। শনিবার সকালে আবার কাজ শুরু করতে গিয়ে কর্মকর্তারা দেখেন, লকার ভাঙা। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে দায় অস্বীকার করেন পাহারায় নিযুক্ত কর্মকর্তারা। তাদের জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।

ঢাকা কাস্টমস হাউসের ডেপুটি কমিশনার সৈয়দ মোকাদ্দেস হোসেন বলেন, ‘এখানে আসলে পণ্য খোয়া যাওয়ার মতো ঘটনা প্রায়শই আমাদের চোখে পড়েছে। এটা আমরা প্রায় নিশ্চিত হয়েছি যে এখানে একটি চুরির ঘটনা ঘটেছে বা পণ্য সরানোর মতো ঘটনা ঘটেছে।’

ঘটনা তদন্তে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংস্থাগুলোর সহায়তা চায় কাস্টমস হাউস। চলছে যৌথ ছায়া তদন্ত। পাহারাদাররা সরিয়েছেন নাকি কোনো চক্র চুরি করেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সৈয়দ মোকাদ্দেস হোসেন বলেন, ‘শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আমাদের যে শুল্ক গোডাউন আছে স্বাভাবিক ভাবে আমরা নিজেরাও এটাকে খুব নিরাপদ মনে করতাম। অফিসাররা তালাবদ্ধ করে এটা থেকে বের হয়ে এসেছেন। অন্যান্য সংস্থাও এটা দেখেছে। কোনো একটি জায়গাতে একটু লিকেজের মতো আমাদের কাছে মনে হয়েছে।’

ঢাকা কাস্টমস হাউসের গুদাম থেকে পণ্য চুরি যাওয়ার ঘটনা আগেও ঘটেছে। সেসব ঘটনায়ও কর্মকর্তাদের জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
All rights reserved © 2024
Design By Raytahost